Dighal Kandi Dhakhil Madrasah

Latest News

this is my second notice this is my first notice this is my second notice this is my first notice this is my second notice this is my first notice

24 Feb 2019

Headmaster message

Headmaster message

বাংলাদেশে মাধ্যমিক শিক্ষার অগ্রযাত্রায় রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল ঐতিহ্যবাহী এবং পথিকৃৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বৃটিশ শাসনামল থেকেই রাজশাহী উত্তরবঙ্গের শিক্ষানগরী নামে পরিচিতি লাভ করে। ইংরেজি শিক্ষার প্রসারের লক্ষ্যে গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক এর সহায়তায় বিদ্যোৎসাহী ব্যক্তি ও ইংরেজ কোম্পানির যৌথ উদ্যোগে ১৮২৮ খ্রিস্টাব্দে রাজশাহী শহরের উপকন্ঠে বেসরকারিভাবে ‘বুয়ালিয়া ইংলিশ স্কুল’ প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮৩৬ সালের ২০ জুন ‘বুয়ালিয়া ইংলিশ স্কুল’ সরকারি স্কুল হিসেবে মর্যাদা লাভ করে ‘জিলা স্কুল’ নামে অভিহিত হয়। ১৮৭৭ সালে জিলা স্কুলের নামকরণ করা হয় ‘রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল’। সুদীর্ঘ ১৮৯ বছরের পরিক্রমায় বিদ্যাপীঠটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন পুরস্কারে ভূষিত হয়েছে। বহু কৃতিমান ছাত্র ভাষা আন্দোলনসহ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব দিয়েছেন।

Welcome Message

Welcome Message

নাটোর জেলার অন্তর্গত ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণ অক্ষরে লিখিত চলন বিলের পদপ্রান্তে বড়াইগ্রাম উপজেলায়, ২নং বড়াইগ্রাম ইউনিয়নে,“দিঘলকান্দি
রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল দেশের প্রথম ও অতি প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সম্ভাবনাময় প্রতিভার সুপ্তবীজ সম্বলিত এই বিদ্যাপীঠ তার স্বীয় অস্তিত্বের ইতিহাস। ঐশ্বর্য্যও ঐতিহ্যকে স্বযত্নে লালন করে আসছে সুদীর্ঘ পৌনে দুইশতাধিককালব্যাপী। দেশের ইংরেজী শিক্ষার প্রসার লাভের জন্য লর্ড ইউলিয়াম বেন্টিং তার ব্যক্তিগত প্রচেষ্টা ও উৎসাহে ১৮২৮ সালে “বউলিয়া ইংলিশ স্কুল” নামে সর্বপ্রথম এই স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেন। পদ্মানদীর তীরে বড়কুঠির কাছাকাছি খড়ের দোচালা ঘরে টাইল নির্মিত বারান্দায় এর প্রথম কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথমদিকে এটি ছিল একটি অবৈতনিক প্রাইভেট স্কুল। সেসময় স্কুলের জন্য কোন সরকারী সাহায্য বরাদ্দ ছিলনা। সুতরাং রাজশাহীতে বসবাসকারী ইংরেজ কর্মকর্তা, আইনব্যবসায়ী এবং নাটোর দিঘাপতিয়া, দুবলহাটি, পুঠিয়া ও বলিহারের জমিদারদের সাহায্য ও সহযোগিতায় স্কুলটি চলতে থাকে। এদেশের তৎকালীন শিক্ষা বিস্তারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইউলিয়াম অ্যাডাম ১৮৩৫ সালে নাটোরে শিক্ষা জরিপ শেষে রাজশাহী বউলিয়া স্কুল পরিদর্শনের পর সরকারের কাছে স্কুলের উজ্জ্বল সম্ভাবনা তুলে ধরলে ১৮৩৬ সালে ২০ জুন স্কুলটিকে সরকারীকরণ করা হয় এবং এটি রাজশাহী জেলা স্কুল হিসেবে অধিগ্রহণ করে রাজশাহীর কৃতিসন্তান সারদা প্রসাদ বসুকে স্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। সেই বছর স্কুলের মোট ছাত্র ছিল ৮৩ জন, যার মধ্যে ৭৮ জন হিন্দু, ২ জন মুসলমান এবং ৩ জন খ্রীষ্টান। ১৮৩৬ সালে ছাত্র সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৮৮ জন । স্কুলের শিক্ষার মান ছিল অনেক উন্নত।

Preset Colors